বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বিয়ে: সবচেয়ে সহজ করেছে ইসলাম




এইচ.টি ইমাম 

বিয়ে আল্লাহ তা’আলার এক বিশেষ নেয়ামত! প্রিয় রাসূল (সাঃ) এর সুন্নত! নারী পুরুষের উত্তম চরিত্র গঠনের অন্যতম নিয়ামক! সামাজিক সম্প্রীতি ও মেলবন্ধনের বিশেষ রাস্তা! মানব সভ্যতা বিকাশের ধারা এবং ইমানের পরিপূর্ণতার অংশবিশেষ হল বিয়ে! আল্লাহ পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন আর এক নিদর্শন এই যে তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্যে থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন (সূরা রুম – ২১)

অর্থাৎ আল্লাহ নারী পুরুষ উভয়ের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন শান্তি ও শ্রদ্ধাবোধ যা বৈধ বিবাহের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে! আল্লাহ অন্যত্র বলেন তারা স্ত্রীগণ তোমাদের পোশাক এবং তোমরা স্বামীগণ তাদের পোশাকস্বরূপ (সূরা বাক্বারা ১৮৭) অর্থাৎ নারী পুরুষ একে অপরের পরিপূরক এবং উভয়ই শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার ও মর্যাদাবান! আমাদের সমাজে এমন ভুড়িভুড়ি দৃষ্টান্ত রয়েছে যে ছেলের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ভাবে পূর্ণ স্বাবলম্বী না হলে মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি হয়না! যা সত্যিই হতাশাজনক! অথচ আল্লাহ নিজেই এর সমাধান দিয়ে বলেন তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন তাদের বিয়ে দিয়ে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্ম পরায়ণ তাদেরও! তারা যদি নিঃস্ব হয় তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে স্বচ্ছল করে দেবেন আল্লাহ প্রাচুর্যময় সর্বজ্ঞ! যারা বিবাহে সমর্থ নয় তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদের অভাবমুক্ত করেন (সূরা নুর ৩২-৩৩)

তাই বিয়ের ক্ষেত্রে টাকা পয়সা ধন সম্পদ বাধা না হওয়াই উত্তম! যাদেরকে আমরা বিবাহ করতে পারবো না বা আমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে আল্লাহ বলেন তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা,কন্যা, বোন, ফুফু,খালা,ভাতৃকন্য, ভগ্নিকন্যা, তোমাদের যে মাতা যে তোমাদের স্তনপান করিয়েছে তোমাদের দুধ বোন তোমাদের স্ত্রীদের মাতা তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন পালনে আছে যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক তবে বিবাহে গুনাহ নেই তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দু বোন একত্রে বিবাহ করা কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল (সূরা নিসা ২৩)

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন যখন তোমরা বিয়ে করতে যাবে তখন তোমরা চারটি বিষয় দেখবে যথা রূপ সৌন্দর্য,ধন সম্পদ,বংশমর্যাদা এবং  ধর্মভীরুতা! এ চারটির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ গুণ হচ্ছে দ্বীনদারি ফরেজগার ও ধর্মভীরুতা! অর্থাৎ যার মধ্যে দ্বীন ইসলামের আলো রয়েছে তাকেই বিয়ে করার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে! আর অমুসলিমকে বিয়ে করার বিধান ইসলামে নেই! এছাড়াও যাদেরকে বিয়ে করলে জীবন বিপন্ন হতে পারে তন্মধ্যে রয়েছে নাটক সিনেমার অভিনেতা অভিনেত্রী, নায়ক গায়ক এবং এমন  পেশায় নিয়যুক্ত যেখানে কাজের জন্য ছেলেকে মেয়ে হতে হয় এবং মেয়েকে ছেলে হতে হয়!

আপনি বাস্তব জীবনে এদেরদিকে তাকালে দেখবেন এদের মধ্যে প্রেম পরকিয়া বিবাহবিচ্ছেদ এবং পারিবারিক অশান্তি সর্বদা বিরাজমান! এদের সব আছে নেই শুধু আত্নার প্রশান্তি! আসলে যেখানে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের বিধান কার্যকর নেই সেখানে আপনি দুনিয়াবি কিছু লাভ পেতে পারেন কিন্তু চিরস্থায়ী ভাবে আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই! এছাড়াও যেসব নারীদের এক বা একাধিক ছেলে বন্ধু ও যেসব ছেলেদের এক বা একাধিক মেয়ে বন্ধু রয়েছে এদের থেকেও দূরে থাকা উত্তম! কারণ এরা বিয়ের পরেও বন্ধুত্বের দোহাই দিয়ে অপকর্ম করতে দ্বিধাবোধ করবেনা! জীবনে একবার হলেও প্রেম করেছে এমন নারী পুরুষের থেকে দুরত্ব বজায় রাখা ভালো! কারণ বিয়ের পরে যে এরা পূনরায় প্রেম ভালোবাসায় জড়াবে না এমন নিশ্চয়তা নেই!  ধুমপায়ী মাদকাসক্ত পুরুষ ও বেপর্দা নারীবাদীদের থেকে দূরে অবস্থান করাই সমীচীন কারণ এরাও বিয়ের পরে সংসারে অশান্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে ত্রুটি করবেনা !

এসব কোন মনগড়া কল্পনা প্রসূত কথা নয় আপনি বর্তমান সমাজের দিকে তাকালে দেখতে পাবেন এর বাস্তব চিত্র! ফেসবুকে এরকম হাজারো চিত্র ভেসে উঠে যে পিতামাতা ধন সম্পদ ক্ষমতা প্রভাব প্রতিপত্তি দেখে বিয়ে দিয়েছিল কিন্তু বিয়ের কয়েক মাস পরেই দেখা যায় তালাক জেল জুলুম হামলা মামলা এক পর্যায়ে আত্নহত্যার পথও বেছে নেন ভুক্তভোগী! তাই বিয়ে করার ক্ষেত্রে নারী পুরুষ উভয়ের উচিত পাত্র পাত্রী সম্পর্কে অগ্রপশ্চাৎ বিস্তারিত জেনে সামনে এগুনো!

পর্দানশীল,সম্রম, শিক্ষিত মার্জিত আল্লাহ ভীরু মানুষকেই বিয়ের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া অতি সমীচীন! কারণ ধর্ম মানুষকে শৃঙ্খলা ও নম্রতা শিখায় আর ধর্মহীনতা শিখায় লাগামহীন জীবন যাপন করতে! যাই হোক সমাজে বিয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে যে ধাক্কাটা লাগে সেটা হচ্ছে কাবিন বা মোহরানা নিয়ে! অনেকে দেখা যায় ১০-২০ লাখ কাবিন লেখায় কিন্তু সে এর ৫ লাখও দিতে সক্ষম নয় তাই এসব উদ্ভট কাবিন না করাই শ্রেয়তর! ছেলের আর্থিক সামর্থ অনুযায়ীই মেয়ে পক্ষের কাবিন নির্ধারণ করা উচিত এতে বিয়েটা খুবই সহজ হয়। আল্লাহ নারীকে মোহর দেওয়ার জন্য নিজেই বলে দিয়েছেন আর তোমরা স্ত্রীদের তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশি হয়ে তা থেকে কিছু অংশ ছেড়ে দেয় তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর (সূরা নিসা ৪)

ইসলামী নীতিমালা অনুযায়ী মোহর পরিশোধ না করা পর্যন্ত স্ত্রীকে স্পর্শ করার কারোর অধিকার নেই। তাই অল্প হলেও মোহর দিয়ে দেওয়াই উত্তম! আমাদের সমাজে একটা কথা প্রচলিত আছে যে কেউ যদি দুইটা বা তিনটা বিয়ে করে তবেই তাকে লম্পট চরিত্রহীন বলে আখ্যায়িত করা হয় হ্যাঁ অবশ্য কেউ যদি তার প্রতি স্ত্রীর সাথে সমান ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ না করে তবে তাকে চরিত্রহীন বলা দোষের কিছু না। আল্লাহ কুরআনে এরশাদ করেন সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভালো লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই তিন কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশংকা করো যে তাদের মধ্যে ন্যায়সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবেন তবে একটিই বিয়ে কর অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিক সম্ভাবনা (সূরা নিসা ৩)

তাই আপনি যদি মনে করেন আপনার প্রতি স্ত্রীর প্রতি সমান ও ন্যায়বিচার করতে পারবেন তবে আপনি চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পারবেন কিন্তু যদি না পারেন তবে একটি বিয়েই আপনার জন্য নিরাপদ! আর আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন তোমাদের এমন সতী সাধ্বী স্ত্রী বরণ করা উচিত যে তোমাকে তোমার দ্বীন ও দুনিয়ার বিষয়ে সাহায্য করে যা সব সম্পদ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ!  রাসূল (সাঃ) অন্যত্র বলেন পূণ্যময়ী ও অধিক সন্তানপ্রসূ নারীকে বিয়ে করো কারণ কেয়ামতের দিন তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে সব আম্বিয়ার কাছে আমি গর্ব করবো (মুসনাদে আহমেদ ৩/২৪৫) তোমরা অধিক সন্তানদানকারী স্বামীভক্ত নারীদের বিয়ে করো (মুসনাদে আহমেদ ১২৬৩৪) তো এ হাদিসের মাধ্যমে এটা স্পষ্ট যে ছেলে হোক মেয়ে হোক দুটি সন্তানই যথেষ্ট এই নীতি পরিত্যাজ্য ও বাতিল! তাই যেসব স্ত্রী ও স্বামীরা অধিক সন্তান নিতে আগ্রহী তাদেরকে বিয়ে করার মধ্যেই রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের প্রভূত কল্যাণ!

এবার আসি আমাদের সমাজের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পর্কে। ছেলেকে আংটি পড়ানোর একটা রীতি প্রচলিত আছে আমাদের মুসলিম সমাজে যা ইসলাম কখনোই সমর্থন করে না আর এটা হচ্ছে ইহুদি খ্রিস্টানদের একটা সনাতন পদ্ধতি! তাই এসব পরিত্যাজ্য কারণ পৃথিবীর যত সাজসজ্জা রয়েছে সব নারীর জন্য শোভনীয় পুরুষের জন্য নয়! যাই হোক সমাজে সাধারণত নিজের আভিজাত্য ও প্রভাব ফুটিয়ে তোলার জন্য আজকাল ৯৫% মুসলিম পরিবার বিশাল আকারে বিয়ের কার্ড বিলি বন্টনের মাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে! বিশাল চাকচিক্যময় কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের ভোজ আয়োজন করে! এতে করে সে বিশাল অংকের ঋণ গ্রহণ করে প্রচুর অর্থ ও খাবার অপচয়ের মধ্যে দিয়ে বিয়ে সম্পাদন করে যা সত্যিই দুঃখজনক!

অথচ আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন সেই বিয়েই অতি উত্তম যেখানে কম অর্থ খরচ করা হয়। হ্যাঁ আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন বিয়েতে অবশ্যই আত্নীয় স্বজন ও অন্যান্যদের দাওয়াত দিয়ে সম্পাদন করতে। এসম্পর্কে একটা হাদিস হল তোমাদের কাউকে যখন বৌভাতের দাওয়াত দেওয়া হয় সে যেন তাতে অংশ গ্রহণ করে (বুখারী ২০৪৯) অর্থাৎ বিয়ের দাওয়াত গ্রহণ করা প্রতিটা মুসলিম নর নারীর জন্য অবশ্য কর্তব্য! আরেকটা বিষয় হল মুসলিম সমাজের বিয়েতে ছেলেকেও গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যা ইসলাম কখনো সমর্থন করে না তাই গায়ে হলুদ শুধু মেয়েদের জন্য পুরুষের জন্য নয়!

আজকাল মুসলমানদের বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা যায় গান বাজনা নতর্কীদের পিছনে প্রচুর অর্থ ঢালা হয় যা ইসলামী শরীয়াহ দৃষ্টিতে এটা বেমানান ও ঘৃণিত! গান বাজনা বাদ্যযন্ত্র স্পষ্ট হারাম নিষিদ্ধ শুধু বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য নয় চিরকালের জন্য প্রতিটি মুসলমানদের জন্য হারাম ও নাজায়েজ! তাই এসব থেকে দূরে থাকাই উত্তম! আবার আজকাল বিয়েতে দেখা যায় ৭০% ছেলেরা দাড়িমুন্ডন করে বিয়েতে আসে এবং অধিকাংশ মেয়েই ভুরুপ্লাগ চুল ছাটাই এবং নগ্ন অর্ধনগ্ন পোশাক পরিধান করে যা স্পষ্টত হারাম ও নিষিদ্ধ! আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন তিন শ্রেণীর লোক জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবেনা এর এক শ্রেণী হল ঐসব পুরুষ ও নারী যারা ছেলে হয়ে মেয়ে সাজে এবং মেয়ে হয়ে ছেলের সাদৃশ্য গ্রহণ করে! এ সম্পর্কে একটা হাদিস হচ্ছে যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে অতঃপর মানুষের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে যাতে তার সুগন্ধি পায় তবে ঐ নারী ব্যভিচারীনি (আবু দাউদ ৪০২৩)

একটা নারীকে তার স্বামী ব্যতীত অন্য কেউ দেখার বিধান কোথাও নেই তাই বিয়ের অনুষ্ঠানে ফটো তোলার যে সংস্কৃতি রয়েছে এটা বর্জনীয়। কারণ একটা নারীর মুখমণ্ডল দেখা মানে তার সমস্থ সৌন্দর্য দেখে ফেলা আর মানুষের সৌন্দর্যের রাজধানী হল তার মুখমণ্ডল! তাই ইসলামী নীতিমালা অনুযায়ী পরিপূর্ণ পর্থা মেনে নারী পুরুষ পৃথকভাবে বিয়ে সম্পাদন করা উচিত!  মোদ্দাকথা বিয়ের মতো একটা পবিত্র কাজে যেন আমরা কোন হারাম জিনিস দিয়ে এটা না শুরু করি! অনেকে মনে করে মৃত্যু হলেই স্বামী স্ত্রী উভয়ের সাথে সম্পর্ক শেষ! না ভাই না এই স্বামী / স্ত্রীই আপনার সাথে কাল কেয়ামতের ময়দানে থাকবে! যদি আপনারা হন পূণ্যময়ী স্বামী স্ত্রী তবে উভয়ে থাকবেন জান্নাতে আর যদি হন আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের অবাধ্য তবে উভয়েই থাকবেন জাহান্নামে! আর আপনি আল্লাহর আইন না মানলে আল্লাহর কিছু যায় আসেনা কিন্তু এতে আপনি চিরস্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই! হ্যাঁ প্রচলিত সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে এসব মানা সত্যিই কষ্টের কিন্তু তবু্ও আপনি যদি প্রভূত কল্যান চান তবে এটাই মানতে হবে! অনেকে মনে করে এসব না করলে আমি সমাজে মুখ দেখাবো কি করে তো এবার ভাবুন এসব অন্যায় ও গর্হিত কাজ করে আল্লাহর সামনে মুখ দেখাবেন কি করে?  তাই  সর্বোপরি বলা যায় যার অঢেল ধন সম্পদ টাকা পয়সা খ্যাতি রয়েছে কিন্তু ইমান ও দ্বীনি আমল নেই তাকে বিয়ে না করাই অধিক কামিয়াব ও শ্রেয়তর পক্ষান্তরে যার ধন সম্পদ টাকা পয়সা কিছুই নেই কিন্তু তার মধ্যে রয়েছে দ্বীন ইসলামের আলো আছে আল্লাহ ভীরুতা আছে ইমান ও আমল তাকেই বিয়ে করা সর্বাপেক্ষা উত্তম ও কল্যাণকর!

এইচ’টি ইমাম: শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: