বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বরণ্যে শিক্ষাবিদ ড. আতফুল হাই শিবলী’র ইন্তেকাল




এম. শহিদুজ্জামান চৌধুরী (পর্তুগাল):

করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশের খ্যাতিমান শিক্ষাবিদ ও লেখক-গবেষক ড.আতফুল হাই শিবলী(৭৮) ইন্তেকাল করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মঙ্গলবার রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কিংবদন্তি এই শিক্ষাবিদ ও লেখক ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ই ফেব্রুয়ারি আসামের গৌহাটিতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দীঘলবাক গ্রামে। তাঁর পিতা অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল হাই ছিলেন দেশ বরণ্যে শিক্ষাবিদ। মাতা বেগম সামসুন্নাহার। বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী প্রফেসর ড. শিবলী ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে ০৭ ই ডিসেম্বর প্রথম চার এবং পরে আরো দু বছরের জন্য উচ্চশিক্ষার কাজে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য হিসেবে মাননীয় চ্যান্সেলর কর্তৃক নিয়োগ পাপ্ত হন। তিনি এ প্রতিষ্ঠানের একজন স্বনামধন্য সদস্য হিসেবে একটানা ছয় বছর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে সরকারি ভাবে অবসর গ্রহণ করেন। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে মাননীয় চ্যান্সেলর কর্তৃক চার বছরের জন্য (২০১৬-২০২০) বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় “নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের “(সিলেট) ভাইস -চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ড. শিবলী রচিত বহু গবেষণামূলক প্রকাশনা দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণামূলক প্রকাশনার পাশাপাশি প্রফেসর ড. আতফুল হাই শিবলী রচিত অন্যতম আলোচিত গ্রন্থ হলো – “Abdul Matin Chawdhury of Assam (1895-1948): Trusted Lieutenant of Mohammad Ali Jinnah “, ২০১১ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত। এ ছাড়াও ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে ‘বাংলাদেশ সাংবিধানিক ইতিহাস (১৭৭৩-১৯৭২) ‘ নামক গ্রন্থটি ও প্রকাশিত হয়। ব্যক্তি জীবনে তিনি বিবাহিত ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক নাজিয়া খাতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের বোন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র সন্তান সহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: