বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

লিসবনে গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীর ভার্চুয়াল উদযাপন




বাংলাদেশ দূতাবাস লিসবন যথাযোগ্য উৎসাহ এবং উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার, ২৬ মার্চ ২০২১ বাংলাদেশর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছে। কোভিড ১৯ মহামারীর কারণে পর্তুগিজ সরকার কর্তৃক আরোপিত বিধিনিষেধের পরিপ্রেক্ষিতে দূতাবাস ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দিবসটি উদযাপন করেছে।

সকালে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচীর সূচনা করেন।

পরে ডিজিটাল জুম প্ল্যাটফর্মে “বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী” শীর্ষক এক ভার্চুয়াল কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়। দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, আমন্ত্রিত পর্তুগিজ অতিথিবৃন্দ, পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীগণ এবং অনান্য আমন্ত্রিত অতিথিবর্গ অনলাইন এ উদযাপনে অংশ নেন। অতিথিদের মধ্যে পর্তুগিজ পার্লামেন্টের সদস্য এবং পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র ও পর্তুগিজ কমিউনিটি বিষয়ক কমিটির সদস্য জনাব পাওলো নেভেস এবং লিসবনের বাংলাদেশী অধ্যূসিত পৌর এলাকা সান্তা মারিয়া মাইওর-এর কাউন্সিল সভাপতি জনাব মিগুয়েল কোয়েলহো এ অনলাইন উদযাপন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত বাণীটি পড়ে শোনানো হয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়।

ভার্চুয়াল উদযাপনের দ্বিতীয় পর্বে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব তারিক আহসান, পর্তুগিজ অতিথিবর্গ এবং প্রবাসী বাংলাদেশীগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল বীরাঙ্গনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব এ উন্নয়ন মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ অনুসরণের কারণেই সম্ভব হয়েছে। পর্তুগিজ জনপ্রতিনিধিগণ সহ আমন্ত্রিত অতিথিগণ গত পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের অত্যন্ত প্রশংসা করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ক দুটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শনসহ একটি রেকর্ডকৃত গানও এই অনুষ্ঠানটিতে বাজানো হয়। অবশেষে, “বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং গৌরবোজ্জ্বল স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীর” এর ভার্চুয়াল উদযাপনে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ দিয়ে কর্মসূচী সমাপ্ত হয়।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: