নিজস্ব প্রতিবেদন :
সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক বলেছেন, দক্ষিণ সুরমা সিলেটের একটি ঐতিহ্যবাহী এলাকা। এখানের কৃষ্টি কালচার ব্যতিক্রম। ঐতিহাসিকভাবে সিলেটের রাজনীতি, সামাজিকতা, সাহিত্য, সাংস্কৃতি ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে দক্ষিণ সুরমার মানুষের অবদান সর্বজন বিদিত। তারই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ সুরমার পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব এ অঞ্চলের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট তথা দক্ষিণ সুরমা এলাকার উন্নয়নের জন্য আন্তরিক। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারি খাস ভূমি পাওয়া সাপেক্ষে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের জন্য একটি ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে, ইনশাল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১১টায় দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুলস্থ কুশিয়ারা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে আয়োজিত দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের ২০ বছর পূর্তী উদযাপন ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম ইমরানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী বলেন, সাংবাদিকতা একটি সুমহান পেশা। পেশাদারিত্বের উৎকর্ষ সাধনে দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব একটি গুরুত্বপূর্ণ প্লাটফর্ম। এক সময় সিলেটের যখন হাতেগুনা সাংবাদিক ছিলেন তখন দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব যারা প্রতিষ্ঠা করেছেন তারা সিলেটের সাংবাদিকতার উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আজকে এই প্রেসক্লাবের ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এসে শুনতে হল বিগত সরকারের আমলে যারা জনপ্রতিনিধি ছিলেন তাদের প্রচেষ্টায় দক্ষিণ সুরমা প্রেসক্লাব ভবনের জন্য একটি নিজস্ব জায়গা পায়নি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুরবাড়ী এলাকার এই প্রেসক্লাবটি স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রচেষ্টায় নিজস্ব জায়গায় ভবন পাবে ইনশাহ আল্লাহ।




