বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বরিসকে নিয়ে বিশ্বনেতাদের আবেগ-উদ্বেগ




করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) করোনার লক্ষণ প্রকট হওয়ায় তাকে আইসিউতে নেয়া হয়। এ অবস্থায় ব্রিটিশ সরকারের দায়িত্ব পালন করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের করোনা আক্রান্তের খবর পেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বনেতারা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বরিস জনসন আমার খুব ভালো বন্ধু। তিনি আমাদের জাতির বন্ধু। আমি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। বিকেলে তার আইসিইউতে যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা খুবই মর্মাহত হয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, সকল আমেরিকানরা তার জন্য প্রার্থনা করছে। তিনি খুব দৃঢ় এবং কখনো হাল ছাড়বার নন।

ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এমমানুয়েল ম্যাকরন বলেন, এই কঠিন সময়ে বরিস জনসন, তার পরিবার ও ব্রিটিশ জনগণের পাশে আমি আছি। আমি আশা করি তিনি দ্রুত এই অগ্নিপরীক্ষা কাটিয়ে উঠবেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, বরিস জনসন ও তার পরিবারের প্রতি আমার শুভকামনা রইলো। আশা করি তিনি শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন।

আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদ্কার বলেন, গতরাত থেকে আমাদের পুরো ভাবনাজুড়ে বরিস জনসন রয়েছে। আমরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেন, আমি বরিস জনসন ও তার পরিবারের কথা ভাবছি। আমরা সবাই চাই তিনি সুস্থ হোন এবং আমরা সবাই তার পাশে আছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে বরিস জনসন বাসায় থেকে কাজ করছিলেন। সবশেষ তাকে দেখা গেছে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। এর পরদিন করোনাভাইরাস নিয়ে একটি বৈঠকে তিনি সভাপতিত্ব করেন। শুক্রবার জানা যায়, করোনার উপসর্গগুলো তার রয়েই গেছে।

ওয়াল্ডোমিটারের তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ হাজার ৩৭৩ জন মারা গেছেন। এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৫১ হাজার ৬০৮ জনের শরীরে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩৫ জন। আর বিশ্বজুড়ে ২০৯ দেশে ছড়িয়ে পড়া এ ভাইরাসে প্রাণ গেছে ৭৪ হাজার ৭৯৫ জনের। আর শনাক্ত হয়েছেন ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ৪০৪ জন।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: