মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

হাতি হত্যার পেছনের ঘটনা আসলে কী?




সম্প্রতি একটি হাতি হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনেক তুলকালাম হয়েছে। এ নিয়ে সবাই আবেগঘন কথা বলেছেন। কিন্তু এ ঘটনার পেছনের ঘটনা কী ছিল? তা পাওয়া যাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিচের এই স্ট্যাটাস থেকে-

”হাতি নিয়ে যা প্রেম দেখলাম, বলতে পারেন এটি তেঁতো কথা…. যদিও দেশের বর্তমান অবস্থায় নিজেরাই অনেকটা দিশেহারা তারমাঝে এই বিদেশী হাতি প্রেম। আমরা অবশ্যই বৈশ্বিক, তবে সেটা শুধু ফেইসবুকে। মাঠে ময়দানে নয়। নিচের লেখাটি বিশ্বাস যোগ্য এবং সাথে নিউজ লিংক থাকার কারনে শেয়ার করা।

ইয়েলো জার্নালিজম কত খারাপ জিনিস, ভারতের কেরালায় অন্তঃসত্ত্বা হাতির মর্মান্তিক মৃত্যুর বিষয়ে সেটা আবারও প্রমাণ হল। হাতির মৃত্যুর খবরটা আমাকে খুব আহত করেছিলো। অফিস থেকে বাসায় আসার সময় গাড়িতে বসে বিস্তর ভাবলাম। গনেশ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবতা । তাই হাতি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে কোনভাবেই তুচ্ছ নয়। দেবতার প্রতিচ্ছবিকে কেউ এভাবে মারতে পারে?? এটা আমি হজমই করতে পারছিলাম না। তারপর লেগে গেলাম অনুসন্ধানে। প্রচুর সময় ব্যয় করে অবশেষে সন্ধান পেলাম আসল সত্যের। আমার শক্ত ধারণা ছিলো, প্রাণ যাক তবুও সনাতনীরা তাদের “আবতার অব সুপ্রিম গড” গনেশের ছায়াকে হত্যা করবেনা। আসল সত্য হল– কেরালার রাজ্যের মালাপ্পুরমে বন্য শুকরের উৎপাতের কারণে ওই এলাকার মানুষ শুকর মারার পরিকল্পনা করেছিলো। ওই এলাকায় নাকি বন্য শুকর মানুষকে আক্রমণ করতো। আনারসে বিস্ফোরক ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিল শুকরের জন্য। কিন্তু নির্মম নিয়তি হাতিটিকে সেখানে নিয়ে যায়। খুবই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হাতির মৃত্যু হয়। যেভাবে কাহিনী বানিয়ে সোশাল মিডিয়া সয়লাব করে দেয়া হয়েছে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বাস করবে। কর্মকর্তা মোহন কৃষ্ণান মিথ্যা কথা লিখেছেন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে। তিনি সঠিক কথাগুলো লিখতে পারতেন। আর অনলাইন পোর্টালগুলোর কথা কি বলব? তারা মিথ্যার আড়ত। ভেরিফাই না করে যা তা পাবলিশ করে দেয়। এদের কারণে মানুষ বিভ্রান্ত হয়। ”

What do you want to do ?

New mail

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: