শনিবার, ২ জুলাই ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মসজিদে কেঁদে কেঁদে ঘোষণা, আপনারা মসজিদে আসবেন না




স্টাফ রিপোর্ট

রাত ৯টা। মসজিদে এশার নামাজের জামাত শেষ হয়ে যায় এ সময়ে। রাত ৯টা হলেও করোনাভাইরাসের প্রকোপ এড়ানোর জন্য লোকজন না থাকায় চারপাশে সুনসান নীরবতা। এমন সময়ে সোমবার মসজিদের মাইক থেকে ভেসে আসে কান্নাভেজা কণ্ঠ। মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত মসজিদে নামাজে না আসতে। কান্নার স্রোতে কথা শেষ করতে পারেন না ঘোষণাকারী। কেঁদে কেঁদেই থেমে যান তিনি। সোমবার নগরীর খাসদবীর মদনী জামে মসজিদ থেকে ভেসে আসে এ কান্নাভেজা ঘোষণা।

করোনাভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে মুসল্লিদের ঘরে নামাজ পড়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার  ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শুধু মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমরা মসজিদে নামাজ আদায় করবেন। একই নির্দেশনায় অন্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ে সমবেত না হয়ে নিজ নিজ বাসস্থানে উপাসনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাখাওয়াৎ হোসেন সই করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, ভয়ানক করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদের ক্ষেত্রে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা ছাড়া অন্য সব মুসল্লি নিজ নিজ বাসায় নামাজ আদায় করবেন। জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করবেন। এটা সরকারের নির্দেশ। মসজিদে জামাত চালু রাখার প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা মিলে পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ অনধিক পাঁচজন এবং জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন শরিক হতে পারবেন।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: