মঙ্গলবার, ৯ অগাস্ট ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দেশ রক্ষায় প্রয়োজনে করোনার মধ্যেই রাজপথে নামতে হবে 




দেশ রক্ষায় প্রয়োজনে করোনার মধ্যেই রাজপথে নামতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেছেন, দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। গণতন্ত্রের আবরণে ক্ষমতায় আছে একটি কর্তৃত্ববাদী সরকার। এটা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য। এই সরকারের যত দ্রুত অবসান ঘটবে ততো সবার জন্য মঙ্গল।
বুধবার রাতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিএনপি নেতারা এসব কথা বলেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেখুন দেশের মানুষের অধিকারগুলো কীভাবে হরণ করা হয়েছে। মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের হত্যাকাণ্ডে আন্দোলন শুরু হয়েছে। এভাবে অনেক সিনহাকে মেরে ফেলা হয়েছে, কিন্তু সেভাবে জানতে পারেনি জনগণ। আজ মিডিয়ার কারণে জনগণ এখন কথা বলতে শুরু করেছে।
তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র হরণ ও মানুষ অধিকার কেড়ে নিতে ১/১১ সরকারের সময় থেকে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই সময় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে যে বিভক্তির সৃষ্টি করা হয়েছে, বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা করা হয়েছে এখনো আবার তাই শুরু হয়েছে।
এখন বিএনপির সামনে যে কাজ তা হচ্ছে ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, মানুষের অধিকার ফিরে পাওয়া। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পুরোপুরি মুক্ত করা এবং দেশে একটি নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এই সরকারের দুর্নীতি আজ নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে। আজকে স্বাস্থ্যখাতের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, লুটপাট, করোনা পরীক্ষা নিয়ে কেলেকাংরি বিদেশে ভাবমূর্তি বলতে কিছু নেই। আমাদের নেতাকর্মীদের সামনে বিশাল দায়িত্ব।
দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করা, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, সমাজে যে পচন ধরেছে সেখান থেকে উদ্ধার করা। সব মিলিয়ে দেশকে রক্ষা করা-এ দায়িত্ব হচ্ছে আমাদের ও আমাদের দলের নেতাকর্মীদের।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আজ বাংলাদেশে দুইটা ভাইরাস। একটা হচ্ছে আওয়ামী ভাইরাস। এই ভাইরাসে গত ১১ বছর দ্বারা আমরা আক্রান্ত, আমাদের জর্জড়িত করেছে। আমাদের ৩৫ লক্ষ নেতাকর্মীরা নামে মামলা দেয়া আছে। মামলার সংখ্যা ১ লক্ষের উপরে চলে গেছে। এই সরকার কত না চেষ্টা করেছে বিএনপিকে নিঃশেষ-নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য। আমার নেত্রীকে কারাগারে পর্যন্ত নিয়েছে। যে শক্তি সংগঠন বলতে যা বোঝায় সেটা নষ্ট করতে পারেনি। আর আরেকটা হচ্ছে বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস। এ সময়টা বিএনপির জন্য পরীক্ষার সময়। এই দুই ভাইরাসকে আমাদের মোকাবেলা করতে হবে। এই ভাইরাস থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে চিন্তা করতে হবে।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: