বুধবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রসংঙ্গঃ কালচারাল সাইকোলজি




এমদাদ চৌধুরী দীপু, নিউইয়র্কঃ
সংস্কৃতি হচ্ছে বহতা নদীর মতো। বহতা নদী যেমন থেমে থাকেনা তেমনি আমাদের জীবন থেমে থাকেনা,আর আমাদের মন সেতো খোলা জানালা।আটকানোর কোন উুপায় জানা নেই। একটা সময় মনের কথা মনেই থাকতো । এখন ফেইসবুকের যুগে মনের ভাবনার সবই চলে আসে ভার্চুয়াল পর্দায়। ভাবনা যখন চেতনায় রুপ নেয়,তখন বেধে যায় লড়াই,স্পস্ট হয়ে উঠে বিভেদ। চলে আক্রমন পাল্টা আক্রমন। মানুষের মন বড়ই বিচিত্র। সাধারন মানুষের মাঝে রয়েছে অসাধারন সব ভাবনা। অসাধারন মানুষের বহুমাত্রিক ভাবনায় আসেনা ঘুম । যাপিত জীবনে আমাদের সাংস্কৃতিক মনো্িবজ্ঞান বা কালচারাল সাইকোলজি নিয়ে আলোচনা করতে চাই আজকের লেখনীতে। দেশে এবং প্রবাসে আমাদের কালচারাল সাইকোলজি কী হবে এ নিয়ে রয়েছে এক অন্তহীন বিতর্ক।আছে নীরব এবং সরব প্রতিযোগীতা।
করোনা ভাইরাসের মধ্যে আছে বিভক্তি । দূর্বল ঈমানদাররা বলছেন করোনাকে ভয় করো,করোনা থেকে বাচো।আর সবল ঈমানদাররা বলছেন ভয় করো আল্লাহকে,করোনার চেয়ে বেশী ভয় করা উচিত আল্লাহকে। সব অপরাধ স্মরণ করে তওবা করে আল্লাহর পথ অনুসস্মরন করার আহŸান তাদের।
একঃ
আমার বয়স তখন হয়তো বারো বা তেরো হবে। আমাদের পাশের বাড়ির এক ফুফু আমার মায়ের সাথে তার দিনব্যাপী কার্যক্রমের বিবরন দিতেন। আমি শুনতাম তিনি কী বলছেন। তার রাতের কর্মসূচীটা ছিলো এরকম যে, এশার নামাজ পড়বেন,সবার রাতের খাবার শেষ করবেন,রাত ১০ টায় সিলেট রেডিওতে প্রচারিত আঞ্চলিক ভাষার নাটক শুনে তিনি ঘুমাবেন। অর্থাৎ নামাজটা জরুরী ধমীয় কারনে,নাটকটা জরুরী বিনোদন কিংবা সামাজিক কারনে। সে সময় সুনির্মল কুমার দেব মীন নাটকে অভিনয় করতেন,রাবেয়া খাতুন দুলু নামের এক মহিলা ছিলেন যার কন্ঠ খুব পরিচিত ছিলো সিলেট রেডিওতে। অনেকের মধ্যে একটা ধারনা যারা নাটক করেন তারা হয়তো খারাপ মানুষ । ধর্ম পালন করেনা কিংবা এরা ধর্মকে মানেনা। বিস্ময়কার হলেও এই হিন্দু নাঠ্যঅভিনেতা সিলেটের ছাতক ডিগ্রী কলেজের বাংলাবিভাগের সাবেক অধ্যাপক সুনির্মল কুমার দেব মীন লিখলেন হিজরী সনের ইতিকথা নামের একটি বই। প্রসংগত সিলেটের আঞ্চলিক সংগীতে একটি গান অনেক জনপ্রিয়। ’ সিলেট প্রথম আজান ধ্বনি বাবায় (হযরত শাহজালাল রহঃ) দিয়াছে’। এই গানের সুরকার এবং শিল্পী একজন হিন্দু। এগুলো হচ্ছে আমাদের ধর্মীয় সম্প্রীতির ুউদাহরন।এগুলো পরমত সহিঞ্চুতা এবং সৌহার্দের বিরল ঘঁটনা।অথচ প্রতিবেশী হিন্দু রাস্ট্র ভারতে মসলমানদের বুকের উপর নৃত্য করছে উগ্র কিছু হিন্দু,সে সব ভিডিওচিত্র এবং মুসলমানদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার খবরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্যীতির কোন অবনতি হয়নি।

দুইঃ
আমাদের গ্রামে দুটি মসজিদ। আমাদের মসজিদ গ্রামের পশ্চিম উত্তরকোনায়,আরেক মসজিদ পূর্বদক্ষিনকোনায়। দক্ষিনদিকের মসজিদে প্রতিবছর ওয়াজ হতো।ছোটবেলায় একজন আলেম বলছিলেন যে আলেম মারলো জালিমে, আর জালিম মারলো ডালিমে। ১৯৭৫ থেকে ৮০ সালের মধ্যে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে উদ্দেশ্য করে হুজুরের এই বয়ান। আলেম-উলামাদের উপর আওয়ামীলীগের অত্যাচার নির্যাতনের কিছু ঘঁটনা বলে তিনি এই উক্তি করেন।এটি আওয়ামীলীগের প্রতি আলেম সমাজের দৃস্টিভঙ্গির একটি উদাহরন। দেশের আলেম সমাজের বেশীরভাগই ধর্মনিরপেক্ষতার বিপক্ষে এরা জামায়াত,খেলাফত,ইসলামী আন্দোলন,হেফাজত,জমিয়ত যে নামেই থাকুন। বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ কখনো আলেম উলামা,মাদ্রাসা শিক্ষা কিংবা ইসলামী সংস্কৃতি বান্ধব নয়। অুীতে ছিলনা,বর্তমানেও নয়,ভবিষ্যতে হওয়া সম্ভাবনা নাই।
তিনঃ
বছরদুয়েক আগে বাংলাদেশের একটি চ্যানেলে প্রচারিত একটি টকশোর বিষয় ছিলো আমাদের কালচারাল সাইকোলজি। এক আলোচক চাঞ্চল্যকর তথ্যদিয়ে বলেন বাংলাদেশে যে ওয়াজ মাহফিল হয় তার উপর গবেষনা চালানো হয়েছে।এবং সে গবেষনায় দেখা গেছে ইসলামী চেতনায় ভবিষ্যত প্রজন্মকে সচেতন করা হচ্ছে। মসজিদ,মাদ্রাসা,মক্তব,এতিমখানা,যারা প্রতিষ্ঠা করছেন তাদের বেশীরভাগ ইসলামী চেুতনাধারী। তার ভাষায় এসব কর্মকান্ডে মুক্তিযুদ্বের চেুতনাধারীরা নেই। তিনি আক্ষেপ করে বলেন শুধু জাতীয় বিভিন্ন দিবসে স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়া,আলোচনা সভা এবং শহীদমিনারে কিছু লোক গেলে আর বৈশাখের আয়োজন করলে দায়িত্বপালন শেষ হয়ে যায়না।
চারঃ
বাংলাদেশের গনুমাধ্যম এখন কওমী মাদ্রাসা এতিমখানা এসব নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করছে। বাংলাদেশের এটিএন নিউজের বার্তা প্রধান মুন্নী সাহাকে দেখা যেত বিভিন্ন এতিমখানা এবং কওমী মাদ্রাসায়। তার এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য শিশুরা জাতীয় সংগীত,মুক্তিযুদ্বের ইতিহাস জানে কীনা। কওমী মাদ্রাসার সিলেবাসে এসব অন্তভ’ক্ত আছে কীনা এবং জাতীয় পতাকা উড়ানো হয় কীনা। এদিকে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে ভারত থেকে ছাপানো হচ্ছে ভুলেভরা বই,ভারতের বঈ পড়ানো হচ্ছে কোন কোন স্কুলে। শুধু এটিএন নিউজ নয়,এশাত্তর টিভি অন্যান্য টিভি ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে বাংলাদেশে।
পাচঃ
আমি অবাক হলাম এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে আমার ২৩ বছর বয়সী এক ভাগনা নামাজের ইমামতি করলো। শিশু বয়সে বাংলাদেশ থেকে এসেছে। এই দেশের ধর্মীয় শিক্ষা তাকে এই সাহস দিয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ঈমানী এবং নৈতিক শক্তির প্রকাশ।আমার বড় মেয়ে আমেরিকা আসার পর নিয়মিত মক্তবে যাচ্ছে। আমেরিকার সবগুলো মসজিদের সাথে সংযুক্ত আছে ইসলামীক সেন্টার। আমেরিকার মসজিদ কেন্দ্রীক সমাজ ব্যবস্থা আমার কাছে ভালোই লাগে। এই প্রজন্মকে নৈতিক মূল্যবোধ শিক্ষা দেয়ার পাশাপাশি দেশপ্রেম শিক্ষা দেয়ার শিক্ষা দিলে সেটি আরো সুন্দর হবে। একবার গিয়েছিলাম ম্যানহাটনে বাংলা স্কুলের বৈশাখী মেলায়। বাংলাদেশী কালচারাল স্কুল আয়োজিত এই আয়োজনে গিয়ে মনে হলো আমাদের প্রজন্মকে বাংলাভাষা সংস্কৃৃতি চচ্র্য়া উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ সময়ের দাবী এবং এসব প্রতিষ্ঠান আরো গড়ে তুলতে হবে।
ছয়ঃ
বাংলাদেশে ধর্মনিয়ে রাজনীতির ইতিহাস নতুন নয়। যে কোন নির্বাচনকে সামনে রেখে হেফাজতকে নিয়ে টানাটানি, ধমীয় সংগঠনের সাথে যোগাযোগ আলোচনায় উঠে আসে। জোট গঠনের গুঞ্জন এখন জোট ভাঙ্গার চেস্টা রাজনীতির বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। ৯০ভাগ মুসলমানের দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ছিলো, এখনো আছে। ভবিষ্যতে থাকবে। যে আলেম জালিম মারলো ডালিমে বলেছিলেন,সে আলিমের দলকে (আঞ্জুমানে আল ইসলাহ) নিয়ে বিগত নির্বাচনে শেখ হাসিনা জোট করেছিলেন। এবারো ইসলামী দলের সমন্বয়ে জোট করে ক্ষমতায় এসেছেন শেখ হাসিনা।ফলে কালচারাল সাইকোলজিতে ধর্ম বড় ফ্যাক্টর এটি শেখ হাসিনা বুঝেন, অন্যান্য গবেষকদের না বুঝার কথা নয়।
সাতঃ
৯০ দশকে একুশে টিভির একটি অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে উপস্থিত করা হয়েছিলো অন্যান্য দলের নেতাদের সাথে। এক পর্যায়ে উপস্থাপকের প্রশ্ন ছিলো ক্ষমতায় গেলে জামায়াত সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কিভাবে পরিবর্তন আনবে। নাটক- সিনেমা কী বন্ধ হয়ে যাবে। উপস্থাপক জামায়াত নেতার উত্তরে সন্তোস্ট না হয়ে বলেছিলেন আপনারা কী বোরকা পরে মেয়েদের অভিনয়ের কথা বলবেন। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় জামায়াত সাংস্কৃতিক অঙ্গনে কোন রুপকল্প উপস্থাপন করতে পারেনি। বন্ধ হয়ে যাওয়া দিগন্ত টিভির মাধ্যমে জামায়াতের সাংস্কৃতিক ভাবনার একটা প্রচেস্টা ছিলো হয়তো। সাইমুম শিল্পীগোস্টির কিছু ইসলামী সংগীত ছাড়া এ অঙ্গনে জামায়াতের কোনঅর্জন নেই। এদিকে বিএনপির জাসাস খুব একটা ভুমিকা রাখতে পারছেনা সাংস্কৃতিক অঙ্গনে।সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিএনপির খুুব গুরুত্ব নেই বলে আমার কাছে মনে হয়। বার বার ক্ষমতায় যাওয়া এই দলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অর্জন হতাশাজনক। বিএনপি-জামায়াতে এই সেক্টর বুঝার লোকের অভাব নাকী বিষয়টি তাদের সাইকোলজিতে গুরুত্বহীন প্রশ্ন থেকে যায়।
আটঃ
আমেরিকায় এসে প্রথম যে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলাম সেখানে এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো। নিউজার্সীতে বিয়ের হলে হিন্দী গানের শব্দে কারো কথা শুনা যাচ্ছেনা,কুশল বিনিময় আলাপচারিতা-কোন বিষয়ে আলোচনা কিছুই সম্ভব হচ্ছেনা। এখানকার বিয়ের সংস্কৃতি হয়ে উঠেছে হিন্দীগান কেন্দ্রীক। কী বিচিত্র প্রচলন চালু করেছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। সামাজিক বাকী সবকিছু মসজিদ কেন্দ্রীক হলেও বিয়ের আয়োজন যেন ধর্মহীন এক অধ্যায় এমনকি দেশাতœবোধ উপেক্ষিত। এই কুসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার উপায় কী। দেশপ্রেমের সাইকোলজি কিংবা ধর্মীয় সাইকোলজি এখানে কী ভুমিকা পালন করবে।
নয়ঃ
ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট লীজেন্ড শহীদ আফ্রিদী বলেছিলেন মৃত্যুর পর কয়টা ছক্কা,কয়টা চার আর কতটা সেঞ্চুরী করলাম সেটি জিঞ্জাসা করা হবেনা। বরং দুনিয়াতে কী কারনে পাঠানো হয়েছিলো সেটি জিঞ্জাসা করা হবে। অর্থাৎ পূন্যের কাজ করলে বেহেস্ত আর পাপ করলে দোযখ এই বিশ্বাসে মুসলমানদের জীবনের পথচলা। পাকিস্তানের অনেক ক্রিকেটাারের মধ্যে ফিজিক্যাল চেইঞ্জ মূলত ধর্মীয় কারনে। এই প্রসঙ্গ এই কারনে যে এটি আমাদের ধর্মীয় সাইকোলজি,এটি শাহরুখ খানের মত অনেক আন্তর্জাতিক সেলিব্রেটির মধ্যে নেই আবার শহীদ আফ্রিদীর মতো অনেকের মাঝে আছে।
দশঃ
আমেরিকা আসার পর একটা বাড়তি বিপত্তি ক্রীস্টানদের ধর্মপ্রচার। অন্তত ৬টি স্থানে আমাকে প্রচারপত্র দিয়েছে ক্রীস্টান ধর্মের অনুসারীরা। আমি বাংলাদেশী এই পরিচয় দেয়ার পর বলেছে বাংলাদেশ থেকে প্রয়োজনে বাংলায় লেখা বাইবেল দেবে পড়ার জন্য। ধর্মপ্রচারের জন্য তাদের প্রচারনা প্রকাশনা,প্রতিষ্ঠান,অসংখ্য অসনিত,রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্নধরনের সংস্থাসহ সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। তাদের বিভিন্ন চার্চের পাশাপাশি রয়েছে ধর্মীয় শিশু বিদ্যালয়,উচ্চবিদ্যালয়,মহাবিদ্যালয়।এক কথায় ক্রীস্টানদের দাওয়াতি কার্যক্রম ব্যাপক।তবে পশ্চিমা মাধ্যম এসবকে সাম্প্রদায়িকতা আখ্যা দেয়না।
এগারোঃ
এক প্রবাসী তার বাসায় দুই হুজুরকে দাওয়াত করলেন। বাড়ির উত্ত্রকোনায় একটি রুমে একটি টেবিলে উত্তরের হুজুররে নাম লেখা হলো। এক টেবিলে বড় বাটিতে ধানের খড়,কিছু তাজা ঘাস, ভাতের ফেনসহ গরুর প্রয়োজনীয় খাবার রাখা হলো। বাড়ির দক্ষিনকোনের রুমে একটি টেবিলে প্লেটের মধ্যে রাখা হলো কাটাল গাছের পাতাসহ ছাগলের প্রিয় সব খাবার। উত্তেজিত দুই হুজুর বেরিয়ে এলেন। একজন আরেকজনকে বললেন মনে পড়ে আপনি আমাকে ছাগল বলেছিলেন, অপর জন বলছেন আপনি আমাকে গরু বলেছেন। দুই হুজুরের চেচামেচি শুনে বেরিয়ে আসলেন প্রবাসী। বললেন কিছু করার নেই। আমি প্রবাসী সোজা জিনিস বুঝি। আপনার ্একজন আরেকজনকে গরু বলছেন ছাগল বলছেন। তাই এই ব্যবস্থা।
শেষ কথাঃ
বিভেদ বিভাজনের পরিনাম ভালো হয়না। করোনা মহামারীতে বিএনি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা য়িার মুক্তি রাজনীতির জন্য দেশের জন্য গনতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। মুক্তি দেয়া হোক আলেমে দ্বীন মাওলানা দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে। আদর্শিকভাবে মোকাবেল করুন জামায়াতকে। জামাত-শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল এধরনের কর্মকান্ড যাতে আর না হয় সেটি ভাবনার বিষয়।করোনা মহামারী থেকে আমরা কী ঐক্যবদ্ব হওয়ার শিক্ষা নিতে পারি?।
প্রবাস থেকে যা মনে হয় একটি রাস্ট্র হিসেবে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য ঐক্য বড় বেশী জরুরী। বিভেদ বিভাজন হলে ঐ প্রবাসীর ন্যায় বিশ্ব সবাইকে অপমানিত করবে। আমেরিকায় যেভাবে সংখ্যাধিক্য মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে গুরুত্ব দিয়ে এখানে কালচারাল সাইকোলজি সৃস্টি হয়েছে। বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে উপেক্ষা করে কোন ভাবনার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। দেশপ্রেম সৃস্টির জন্য পদক্ষেপ নিলেই হয়। রাস্ট্র ধর্মীয় প্রতিস্টানের জন্য কারিকুলাম তৈরী করলে সমস্যার সমাধান হয়। প্রবাসীরা অতীতে দেশে ধমীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ার জন্য ভুমিকা পালন করেছেন,বর্তমানে করছেন ভবিষ্যতেও করবেন। পরকালে বিশ্বাসী মুসলমানরা মনে করেন দুনিয়ার কস্টের জীবনের পর পরকালের জবাদিহীতার জন্য কিছু করা সেটা ঈমানী দায়িত্ব।

সম্পাদক: শাহ সুহেল আহমদ
প্যারিস ফ্রান্স থেকে প্রচারিত

সার্চ/খুঁজুন: